Politics

পয়লা বৈশাখের আগেই বাংলায় জোরদার প্রচারে মোদি, একদিনে তিনটি জনসভা
Narendra Modi পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এবার আরও আক্রমণাত্মক রূপে নামতে চলেছেন। পয়লা বৈশাখের আগেই রাজ্যে ধারাবাহিক প্রচারসূচি নিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ৯ এপ্রিল একদিনেই তিনটি জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। ওইদিন আসানসোল, হলদিয়া এবং সিউড়িতে সভা করবেন তিনি। এরপরও থামছেন না—টানা দু’দিন রাজ্যেই থেকে একাধিক জায়গায় প্রচার চালাবেন। ১১ এপ্রিল জঙ্গিপুর, কাটোয়া এবং বালুরঘাটে সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেদিন রাতেই তিনি শিলিগুড়িতে পৌঁছবেন এবং সেখানে রাতযাপন করবেন। পরদিন, অর্থাৎ ১২ এপ্রিল শিলিগুড়িতে একটি বড় রোড শো করার কর্মসূচি রয়েছে। নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী Suvendu Adhikari-র সমর্থনে হলদিয়ার সভাটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জানা গিয়েছে, বাংলায় মোট প্রায় ১৪টি জনসভা করার লক্ষ্য নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি Amit Shah-রও একাধিক সভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্যে এখনও একটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা বাকি রয়েছে। সেটি সম্পন্ন হওয়ার পর এবং মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ হলে বিজেপি তাদের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করবে। সেই অনুষ্ঠানে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি Nitin Naween উপস্থিত থাকতে পারেন। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কোচবিহারের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বেশ আক্রমণাত্মক সুরে বক্তব্য রেখেছিলেন। সেখানে অনুপ্রবেশ, জনসংখ্যা পরিবর্তন এবং ধর্মীয় রাজনীতির প্রসঙ্গ উঠে আসে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আসন্ন এই সফরেও একই ইস্যুগুলোকেই সামনে রেখে প্রচার চালাবেন তিনি।

বনগাঁ থেকে ভোটার তালিকা ইস্যুতে কড়া বার্তা মমতার, “বাদ পড়া নাম ফেরাতে ট্রাইব্যুনালে যাব”
Mamata Banerjee বনগাঁর মাটিতে দাঁড়িয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ইস্যুতে সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য—যেসব ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হবে তৃণমূল। সম্প্রতি প্রকাশিত সংশোধিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, বিচারাধীন প্রায় ৬০ লক্ষ নামের মধ্যে প্রায় ৩২ লক্ষকে বৈধ ভোটার হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। কিন্তু বাকি বহু নাম বাদ পড়ায় তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে অনেকের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, কোনও মহিলা বিয়ের পর অন্যত্র চলে যাওয়ায় তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এভাবে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, যা মেনে নেওয়া হবে না।” মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, তাঁদের অধিকার নিয়ে কোনও রকম ছিনিমিনি খেলা চলবে না। ধর্ম বা সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজনের চেষ্টা হলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। এই সভায় সরাসরি নাম না করলেও, ঠাকুরবাড়িকে কেন্দ্র করে চলা রাজনৈতিক টানাপোড়েন নিয়েও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বার্তা—পরিবারের ভেতরের বিভেদকে রাজনীতির হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা বন্ধ হওয়া উচিত। এদিন বনগাঁর খয়রামাড়ি স্টেডিয়ামে আয়োজিত সভায় পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার করেন তিনি। সভার শেষে মতুয়া ও আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র হাতে নিয়ে সাংস্কৃতিক সম্প্রীতির বার্তাও দেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, ভোটের আগে বাদ পড়া নাম ফেরানো এখন তৃণমূলের অন্যতম বড় রাজনৈতিক ইস্যু হতে চলেছে।

হাজরা মোড় ও আলিপুরে উত্তেজনা, মনোনয়ন ঘিরে মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি
নির্বাচনের আবহে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল হাজরা মোড় ও আলিপুর সার্ভে বিল্ডিং এলাকা। বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়া ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। পাপিয়া অধিকারীর অভিযোগ, তাঁর মিছিলকে প্রায় এক ঘণ্টা হাজরা মোড়ে আটকে রাখে পুলিশ, যার ফলে সময়মতো মনোনয়ন জমা দেওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়। এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও। পুলিশের সঙ্গে তাদের তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। অন্যদিকে, পুলিশের দাবি— নিরাপত্তার স্বার্থেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিল এবং কাউকেই মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়া হয়নি। অতিরিক্ত জমায়েত এড়াতেই ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। এদিকে আলিপুর সার্ভে বিল্ডিং চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পুরো এলাকা ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয় এবং বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল। তৃণমূল ও বিজেপি— দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়, যার জেরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একদিকে ‘জয় শ্রীরাম’, অন্যদিকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে তৈরি হয় উত্তেজনার আবহ। পাশাপাশি ওইদিন তৃণমূলের একাধিক প্রার্থীও আলিপুরে মনোনয়ন জমা দেন। জমায়েত এড়াতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বারবার মাইকিং করে এবং ভিড় সরানোর চেষ্টা করে। সূত্রের খবর, সম্প্রতি অন্য একটি কেন্দ্রে মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই আলিপুরে অতিরিক্ত সতর্ক ছিল প্রশাসন। সেই কারণেই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবুও দিনভর বিক্ষিপ্ত উত্তেজনার ছবি সামনে আসে।

হাই কোর্টে জামিন পেলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং, প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে
ভোটের আগে বড় স্বস্তি পেলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং। সোমবার কলকাতা হাই কোর্ট তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চ এক লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁকে জামিন দেয়। সব ঠিক থাকলে মঙ্গলবার জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জামিন পাওয়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানান রাকেশ সিং। একটি ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, “সত্যের জয় হয়েছে।” পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ শানান তিনি। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক চাপে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে— বিজেপি কি তাঁকে কলকাতা বন্দরের আসনে প্রার্থী করবে? যদিও দল এখনও এই কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি, তবে সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। উল্লেখ্য, মৌলালিতে কংগ্রেস দপ্তরে ভাঙচুর ও পোস্টার বিকৃতির ঘটনায় রাকেশ সিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এরপর পুলিশ অস্ত্র আইনসহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করে এবং গত বছর ট্যাংরা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন এবং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এদিকে জামিন পাওয়ার পর রাকেশ সিং জানিয়েছেন, কঠিন সময়েও যারা তাঁর পাশে ছিলেন, তাঁদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। আগামী দিনে তিনি আরও শক্তিশালীভাবে রাজনৈতিক লড়াইয়ে ফিরবেন বলেও জানিয়েছেন।

ভবানীপুর কাণ্ডের পর কলকাতা পুলিশে বড় রদবদল, ৬ থানায় নতুন ওসি নিয়োগ
ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল Election Commission of India। ভবানীপুরে অশান্তির ঘটনার পর এবার Kolkata Police-এর একাধিক থানায় ওসি স্তরে বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। Lalbazar থেকে জারি হওয়া ১৮১ ও ১৮২ নম্বর অর্ডার অনুযায়ী, শহরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকদের বদলি করা হয়েছে। অনেককেই ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট, এসটিএফ ও স্পেশাল ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে। 🔁 কোন থানায় কী পরিবর্তন? পার্ক স্ট্রিট থানা ওসি হীরক দলপতি → বদলি হয়ে ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টে নতুন ওসি → নীলকান্ত রায় (ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট থেকে) গড়িয়াহাট থানা অতিরিক্ত ওসি রাজ কুমার মিশ্র (শ্যামপুকুর থেকে) দায়িত্বে বিজয়গঞ্জ বাজার থানা নতুন দায়িত্ব → মনীশ সিংহ (এন্টালি থানার অতিরিক্ত ওসি) চেতলা থানা নতুন ওসি → মনোজ দত্ত (এসটিএফ থেকে ফেরানো) আগের ওসি অমিতাভ সরকার → এসটিএফে বদলি হেয়ার স্ট্রিট ও ঠাকুরপুকুর থানা ওসি লোপসাং তশেরিং ভুটিয়া ও রাজীব সাহুর মধ্যে পারস্পরিক বদলি বিজয়গঞ্জ বাজার থানার ওসি অংশুমান রায় বদলি হয়ে ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টে ⚠️ কেন এই রদবদল? সম্প্রতি Bhowanipore এলাকায় রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah-এর উপস্থিতিতে রোড শো ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। এর পরেই নির্বাচন কমিশন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেয় এবং আইনশৃঙ্খলা ভাঙনের অভিযোগে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়। 🧾 কী বার্তা দিচ্ছে কমিশন? এই দ্রুত রদবদল থেকে স্পষ্ট— 👉 ভোটের আগে কোনওরকম গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না 👉 সংবেদনশীল এলাকায় নতুন অফিসার বসিয়ে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়েও জোর বার্তা দিল কমিশন।

৫ বছরে সম্পদ বৃদ্ধি, মামলার সংখ্যা ১৯ — উত্তরপাড়ায় লড়াইয়ে ‘ক্যাপ্টেন’ মীনাক্ষী
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ময়দানে ‘ক্যাপ্টেন’ নামে পরিচিত Meenakshi Mukherjee এবার উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ‘ছাব্বিশের লড়াই’-এর প্রস্তুতিতে তিনি নিয়ম মেনে নিজের হলফনামা জমা দিয়েছেন, যেখানে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা থেকে শুরু করে আর্থিক ও আইনি তথ্য বিস্তারিতভাবে উল্লেখ রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, তিনি University of Burdwan থেকে ২০০৭ সালে স্নাতকোত্তর এবং ২০১০ সালে বি.এড ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পেশা হিসেবে নিজেকে সমাজকর্মী ও দলের সর্বক্ষণের কর্মী বলে উল্লেখ করেছেন, যদিও দল থেকে প্রাপ্ত পারিশ্রমিকের নির্দিষ্ট পরিমাণ জানাননি। গত পাঁচ বছরে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে—প্রায় চার গুণেরও বেশি। বর্তমানে তাঁর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ₹৫.৭৮ লক্ষ। হাতে নগদ রয়েছে মাত্র ₹২,০০০। ব্যাংক ও বিনিয়োগের খাতে তাঁর কিছু সঞ্চয় রয়েছে— তিনটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে মোট প্রায় ₹১.৯৭ লক্ষ একটি পিপিএফ অ্যাকাউন্টে প্রায় ₹৬০,৯৪০ এলআইসি বিমায় ₹২ লক্ষ মিউচুয়াল ফান্ড/বন্ডে প্রায় ₹৯৬,৮৯৫ সব মিলিয়ে ব্যাংক ও বিনিয়োগে তাঁর মোট সঞ্চয় প্রায় ₹৫.৫৫ লক্ষের বেশি। উল্লেখযোগ্য বিষয়, তাঁর নামে কোনও ঋণ নেই। স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে তাঁর নামে কোনও জমি বা বাড়ি নেই। এমনকি গাড়ি বা সোনার গয়নাও নেই। তাঁর একমাত্র বাহন একটি প্রায় ১২ বছরের পুরনো স্কুটার, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য প্রায় ₹২০,৮৮০। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় মোট ১৯টি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। এগুলোর বেশিরভাগই রাজনৈতিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যায়। এই নির্বাচনে উত্তরপাড়া কেন্দ্রে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী Shirshendu Bandyopadhyay, যিনি Kalyan Banerjee-এর পুত্র। ভোটের ফল কী হবে, তা সময়ই বলবে। তবে সীমিত সম্পদ নিয়েও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে মীনাক্ষীর প্রচার পদ্ধতি ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে।

“ঘড়ি দেখে নয়, মাঠে নেমে কাজ করুন”—বিজেপি কর্মীদের কড়া বার্তা নীতিন নবীনের
ভোটের আগে সংগঠনকে আরও গতিশীল করতে কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি Nitin Nabin। দু’দিনের কলকাতা সফরে এসে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শুধু নামমাত্র দায়িত্ব পালন নয়—মাঠে নেমে সক্রিয়ভাবে কাজ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। রাজনৈতিক মহলে আলোচনা, ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর বিভিন্ন দল যখন নিজেদের কৌশল সাজিয়ে ফেলেছে, তখন রাজ্য বিজেপির কিছু ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিশেষ করে বিভিন্ন জেলার দায়িত্বে থাকা ভিনরাজ্যের বা ‘প্রবাসী’ নেতাদের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষের ইঙ্গিত দেন তিনি। এই প্রেক্ষিতে নীতিন নবীন সরাসরি বলেন, শুধুমাত্র ঘুরে বেড়ানো বা সময় মেপে কাজ করার মানসিকতা বদলাতে হবে। কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে, তাঁদের সঙ্গে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করার উপরই জোর দেন তিনি। এমনকি কেউ যদি কাজ করতে আগ্রহী না হন, তাহলে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শও দেন স্পষ্ট ভাষায়। তিনি আরও জানান, বড় মঞ্চ বা বিশাল জনসভার চেয়ে এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ মানুষের মধ্যে পৌঁছনো। পাড়া-ভিত্তিক ছোট ছোট কর্মসূচি, সরাসরি যোগাযোগ এবং মানুষের সমস্যা কাছ থেকে বোঝার উপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন। তাঁর মতে, মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি না করতে পারলে রাজনৈতিক লড়াই শক্তিশালী করা সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে দলীয় নেতা-কর্মীদের আরও সক্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে বাস্তবমুখী রাজনীতির বার্তাই দিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

অভয়ার মায়ের প্রার্থিতা ঘিরে বিতর্ক, কুণাল ঘোষের তীব্র সমালোচনায় রাজনৈতিক মহল সরগরম
অভয়া-কাণ্ডের প্রেক্ষাপটে তার মায়ের রাজনীতিতে প্রবেশ নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিজেপির তরফে পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হিসেবে তাঁকে ঘোষণা করা হতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। অনেকেরই প্রশ্ন—ঠিক কী কারণে এই সিদ্ধান্ত? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, আর জি কর ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হওয়া আবেগকে কাজে লাগিয়ে ভোটের ময়দানে সুবিধা পেতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে বিজেপি। ঘটনার শুরুতেই পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় Central Bureau of Investigation-এর হাতে। তবে মূল অভিযুক্ত ছাড়া আর কাউকে গ্রেপ্তার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভয়ার পরিবার। তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অভয়ার মা বিজেপির প্রার্থী হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা Kunal Ghosh তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন। তাঁর অভিযোগ, এই সিদ্ধান্তে স্পষ্ট দ্বিচারিতা রয়েছে। তিনি বলেন, যে ঘটনার প্রতিবাদে সবাই সরব হয়েছিল, সেটিকে কেন্দ্র করে এখন রাজনৈতিক অবস্থান বদলানো হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, রাজ্য পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় তদন্তেও সেই গ্রেপ্তারই সঠিক প্রমাণিত হয়েছে। কুণাল ঘোষ আরও প্রশ্ন তোলেন, যারা আগে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন, তাঁরাই এখন সেই রাজনৈতিক শক্তির প্রতিনিধিত্ব করছেন—এটা কতটা যুক্তিযুক্ত? তাঁর মতে, এই অবস্থান পরিবর্তন সাধারণ মানুষের মনে নানা সন্দেহের জন্ম দিচ্ছে। অন্যদিকে, অভয়ার মা রত্না দেবনাথ জানিয়েছেন, মেয়ের জন্য ন্যায়বিচার আদায়ের লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক মঞ্চ থেকেই তিনি এই লড়াইকে আরও জোরালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। সব মিলিয়ে, এই প্রার্থিতাকে ঘিরে সহানুভূতির রাজনীতি, ন্যায়বিচারের দাবি এবং রাজনৈতিক কৌশল—তিনটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

বীরভূমে অনুব্রতর হুঙ্কার, বিজেপিকে ‘মুছে দেওয়ার’ বার্তা
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বীরভূমে রাজনীতির পারদ ক্রমশ চড়ছে। ভোটের আগে থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে মাঠে নেমেছেন তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব। বিশেষ করে জেলার কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল এবারও আত্মবিশ্বাসী—সবকটি আসন জিতে দলকে উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে এগোচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি একাধিক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিরোধী বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র সুর চড়ান। তাঁর দাবি, অতীতে যেমন সিপিএম ও কংগ্রেসকে জেলায় সংগঠনের দিক থেকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিল, তেমনই বিজেপির বিরুদ্ধেও একই ফল হবে। অনুব্রত মণ্ডলের কথায়, বিভিন্ন সময়ে বিজেপির তরফে তাঁকে দলে টানার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। এরপর রাজনৈতিক চাপে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। প্রায় আড়াই বছর কারাবাসের পর আবার সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে এসে তিনি দাবি করেন, তাঁর অনুপস্থিতিতেও জেলায় তৃণমূলের সংগঠন ভাঙেনি। বরং সাম্প্রতিক লোকসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের সাফল্যই তার প্রমাণ। এই সাফল্যকে হাতিয়ার করেই এবার বিধানসভা ভোটে আরও জোরালো লড়াইয়ের বার্তা দিচ্ছেন তিনি। বীরভূমে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি ধরে রাখতে এবং বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে তাঁর বক্তব্য ঘিরে বীরভূমের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

উত্তর থেকে দক্ষিণে তৃণমূলের জোরদার প্রচার অভিযান, ময়দানে মমতা ও অভিষেক
রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরকদমে প্রচারে নামছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটের আর মাত্র এক মাস বাকি থাকতেই দলীয় প্রচারকে তীব্র করতে রাজ্যের দুই প্রান্তে নামছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৪ মার্চ উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার প্যারেড গ্রাউন্ডে জনসভা দিয়ে প্রচার শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই দিনে মাটিগাড়া ও ময়নাগুড়িতেও তাঁর সভা করার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে তিনি নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে একটি কর্মিসভায় অংশ নিয়ে সরাসরি উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু এলাকা এখনও বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূল কিছুটা জমি ফিরে পেয়েছে, তবুও সেই অঞ্চলগুলিতে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতেই নিজে প্রচারে নামছেন দলনেত্রী। অন্যদিকে, একই দিন থেকেই দক্ষিণবঙ্গে প্রচারের দায়িত্ব সামলাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রথম জনসভা হতে চলেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমায়। পরদিন তিনি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক জায়গায় সভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। দাসপুর, কেশিয়াড়ি ও নারায়ণগড়ে জনসভা করার পাশাপাশি নন্দীগ্রামে একটি কর্মিসভাও করতে পারেন তিনি। নন্দীগ্রামকে ঘিরে এবারের নির্বাচনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল। এই কেন্দ্রে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে লড়াই জমে উঠতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে এই এলাকায় প্রচারে বাড়তি জোর দিচ্ছেন অভিষেক। এছাড়াও মার্চ মাস জুড়ে উত্তরবঙ্গের একাধিক কেন্দ্রে সভা ও রোড শো করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। ২৬, ২৮ এবং ৩১ মার্চ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, রাজ্যের দুই প্রান্তে একযোগে প্রচার চালিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।

দ্বিতীয় দফায় বিজেপির বড় চমক, একাধিক নতুন মুখ ও আসন বদল
আসন্ন West Bengal Elections 2026-কে সামনে রেখে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল Bharatiya Janata Party। এই তালিকায় মোট ১১১টি আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও নতুন মুখ দেখা গিয়েছে। সবচেয়ে বড় চমকগুলির মধ্যে রয়েছে Arjun Singh-এর আসন পরিবর্তন। দীর্ঘদিন ভাটপাড়ার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও এবার তাঁকে নোয়াপাড়া কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। অন্যদিকে, বারাকপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে দল ভরসা রেখেছে আইনজীবী Kaustav Bagchi-র উপর, যিনি প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন। এছাড়াও, জনপ্রিয় অভিনেত্রী Rupa Ganguly-কে সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। এটি তাঁর প্রথম বিধানসভা নির্বাচন, এবং তিনি তৃণমূলের প্রার্থী লাভলি মৈত্রর বিরুদ্ধে লড়বেন। একই সঙ্গে, এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন Dibyendu Adhikari, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রসঙ্গত, বাংলায় ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে বিজেপি এইবার প্রার্থী বাছাইয়ে কৌশলগত পরিবর্তনের পথে হেঁটেছে। অভিজ্ঞ নেতাদের আসন বদলের পাশাপাশি নতুন মুখদের সুযোগ দিয়ে নির্বাচনী লড়াইকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে চাইছে দল।

রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই আধিকারিক বদলি, হাই কোর্টে চ্যালেঞ্জ
ভোট ঘোষণার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে প্রশাসনিক স্তরে একের পর এক বদলির সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বহু আইএএস ও আইপিএস আধিকারিককে হঠাৎ সরানো হয়েছে—এই পদক্ষেপকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন মহলে। এই পরিস্থিতিতেই আইনজীবী Kalyan Banerjee শুক্রবার Calcutta High Court-এর প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনা না করেই শীর্ষ প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকদের বদলি করা হয়েছে। মামলায় Gyanesh Kumar-কে পক্ষভুক্ত করার আবেদনও জানানো হয়েছে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, West Bengal Elections 2026 ঘোষণার দিনেই রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিকদের সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের কমিশনার, ডিজি এবং বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারদেরও দ্রুত বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি ও জলপাইগুড়ি রেঞ্জের ডিআইজি পদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee। তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাকে লক্ষ্য করেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য লুকিয়ে রয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করেই এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করে দাবি করেন, প্রশাসনিক বদলির মাধ্যমে ভোটের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত মানুষের রায়ই নির্ণায়ক হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এই প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক বদলি নিয়ে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের দ্বন্দ্ব এবার আদালতের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে, যা আসন্ন নির্বাচনের আগে পরিস্থিতিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

বুধবারের মধ্যেই বিজেপির পূর্ণ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা সম্ভব, নতুন আসনে সুযোগ পেতে পারেন হিরণ
রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনের আগে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে Bharatiya Janata Party। সূত্রের খবর, বুধবারের মধ্যেই বাকি আসনগুলির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে পারে দল। সোমবার সন্ধ্যায় এই প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে। এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী Bhupender Yadav-এর বাসভবনে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব, যার মধ্যে ছিলেন Suvendu Adhikari, Sukanta Majumdar-সহ আরও অনেকে। বৈঠকে রাজ্যের প্রায় ১৫০টি আসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত, এই আলোচনা মঙ্গলবারও চলতে পারে এবং দ্রুতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো হবে। এদিকে, প্রথম তালিকায় নাম না থাকায় জল্পনা তৈরি হলেও খড়গপুরের বিধায়ক Hiran Chatterjee-কে ঘিরে পরিস্থিতি স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। দলের এক কেন্দ্রীয় নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁকে বাদ দেওয়া হয়নি, বরং অন্য কোনও আসন থেকে প্রার্থী করার পরিকল্পনা রয়েছে। দলীয় অন্দরমহলের খবর, প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে হিরণের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাঁকে জানানো হয় যে, তাঁর জন্য বিকল্প আসন বিবেচনায় রাখা হয়েছে এবং খড়গপুর কেন্দ্র থেকে নাম না থাকা নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও প্রতিক্রিয়া না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি Dilip Ghosh-এর পছন্দ অনুযায়ী খড়গপুরে অন্য প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে, প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোরদার কৌশলগত আলোচনা চলছে বিজেপির অন্দরে। এখন নজর বুধবারের দিকে—সেদিনই চূড়ান্ত তালিকা সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

দিল্লিতে বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, শিগগিরই প্রকাশ পেতে পারে বাংলার প্রার্থী তালিকা
আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি জোরদার করেছে বিজেপি। দলীয় সূত্রে খবর, প্রার্থী নির্বাচন ও নির্বাচনী কৌশল ঠিক করতে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকে দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে। সেই কারণেই তার আগেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে গেরুয়া শিবির। বৈঠকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সূত্রের দাবি, বর্তমানে যাঁরা বিধায়ক আছেন তাঁদের অধিকাংশকেই আবারও প্রার্থী করার বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি সংগঠনে সক্রিয় ও দক্ষ নেতাদেরও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। দলীয় মহলে আলোচনায় রয়েছে, তরুণ নেতৃত্বকেও এবার বেশি করে সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এদিকে রাজ্যে বিজেপির সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় দলীয় নেতৃত্ব এই নির্বাচনের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা এবং অভ্যন্তরীণ মতভেদ মেটানো—এই দুটি বিষয়ই এখন দলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতিতে প্রার্থী নির্বাচন এবং নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ করতে দিল্লির এই বৈঠককে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বৈঠকের পরই বাংলার প্রার্থী তালিকা সম্পর্কে পরিষ্কার ছবি সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সহমরণের স্মৃতিবাহী শ্মশানে এবার আধুনিক উদ্যোগ, বসছে ইলেকট্রিক চুল্লি
হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর ব্লকের এক প্রাচীন শ্মশানে এবার আধুনিক ব্যবস্থার সূচনা হতে চলেছে। শতাব্দীপ্রাচীন এই দাহস্থলে স্থাপন করা হবে বৈদ্যুতিক চুল্লি। জানা গেছে, হাওড়া গ্রামীণ অঞ্চলে এই প্রথম কোনও শ্মশানে এমন ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে। উদয়নারায়ণপুর থেকে হাওড়াগামী সড়কের পাশে জয়নার স্টপেজের কাছে দামোদর নদের তীরে অবস্থিত এই শ্মশানটি বহু বছরের পুরোনো। চারপাশে গাছপালায় ঘেরা জায়গাটি স্থানীয়দের কাছে ‘আগুনখাকি বন’ নামে পরিচিত। জনশ্রুতি রয়েছে, বহু বছর আগে সতীদাহ প্রথার সময় এখানে এক বিধবা মহিলাকে স্বামীর চিতায় সহমরণে বাধ্য করা হয়েছিল। সেই ইতিহাসের কারণেই জায়গাটির নামকরণ হয়েছে এভাবে। বর্তমানে এখানেই তৈরি করা হচ্ছে আধুনিক বৈদ্যুতিক শ্মশানচুল্লি। এতদিন অন্যান্য গ্রামীণ শ্মশানের মতো এখানেও কাঠের আগুনে দাহকর্ম সম্পন্ন হত। এর ফলে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বর্ষাকালে শুকনো কাঠের জোগানও একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াত। সেই সমস্যার সমাধান হিসেবেই নেওয়া হয়েছে বৈদ্যুতিক চুল্লি স্থাপনের উদ্যোগ। কিছুদিন আগেই এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব ডাবল ফার্নেস প্রযুক্তিতে তৈরি এই বৈদ্যুতিক চুল্লি নির্মাণে প্রায় তিন কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানা গেছে। আগামী আট মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। Samir Panja জানিয়েছেন, এই প্রকল্পের জন্য প্রায় এক বিঘা জমির প্রয়োজন ছিল। সরকারি জমি না থাকায় এলাকার দুই বাসিন্দা জমি দেওয়ার উদ্যোগ নেন। চুল্লিটি চালু হলে উদয়নারায়ণপুরের পাশাপাশি আমতা এবং পাশের Khanakul ও Jangipara এলাকার মানুষও এর সুবিধা পাবেন। অন্যদিকে Kolkata Metropolitan Development Authority–র প্রধান পরামর্শদাতা Supriya Maiti জানিয়েছেন, এখানে ডাবল ফার্নেস থাকলেও দুটি একসঙ্গে ব্যবহার করা হবে না। প্রয়োজন অনুযায়ী একটি ফার্নেস চালু রাখা হবে। স্থানীয় বাসিন্দা বুদ্ধদেব মণ্ডলের কথায়, দামোদর নদের তীরের এই শ্মশান বহু পুরোনো এবং ইতিহাসের সাক্ষী। সহমরণের সেই করুণ স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই জায়গাতেই এবার আধুনিক পরিবেশবান্ধব দাহকেন্দ্র গড়ে উঠতে চলেছে।

নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নতুন মোড়, প্রাক্তন শিক্ষাসচিব ও কুন্তল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদের ডাক ইডির
স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। এই মামলার সূত্র ধরে এবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষাসচিব মণীশ জৈন এবং হুগলির বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে। তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, আগামী সপ্তাহে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের। তদন্তকারীদের মতে, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত চক্রটি বোঝার জন্য শুধু নিচুতলার দালাল বা মধ্যস্থতাকারীদের নয়, বরং প্রশাসনিক স্তর এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ইডির দাবি, বিভিন্ন নথি, আর্থিক লেনদেন এবং আগের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই তলব করা হয়েছে। এই জিজ্ঞাসাবাদ থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত ইতিমধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তৈরি করেছে। নতুন করে এই তলবের ফলে তদন্তে আরও নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সাতসকালে দুর্গাপুরে ইডি হানা: পুলিশের বাড়িতে তল্লাশি
দুর্গাপুরের সিটি সেন্টার অঞ্চলের অম্বুজা নগরে বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে বুধবার সকালে হানা দিয়েছে Enforcement Directorate (ইডি)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে এবং বাড়িতে চলছে তল্লাশি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইডি তদন্তকারীরা মনোরঞ্জনের বাড়িতে পৌঁছাতেই গেটে একটি নোটিশ টাঙিয়ে দেন। নোটিশে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে হাজিরা দিতে হবে। এদিনও ইডি অফিসাররা বাড়ির ভিতরে নথিপত্র খুঁজছেন এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। ইডি সূত্রে জানা গেছে, কয়লা পাচার মামলায় প্রোটেকশন মানির লেনদেনের সঙ্গে মনোরঞ্জন মণ্ডলের যোগসূত্র রয়েছে। অভিযোগ, তিনি কয়লা ব্যবসায়ীদের টাকা পাচারের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করেছিলেন। এর আগে ৩ ফেব্রুয়ারি কোয়লা পাচার মামলায় ইডি মনোরঞ্জনের বাড়িতে হানা দেয়। পরবর্তীতে তাকে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজির হননি। এমনকী তাঁর স্ত্রীকেও তলব করা হয়েছিল। ফেব্রুয়ারি মাসে মনোরঞ্জন মণ্ডল বুদবুদ থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব নেন। অভিযোগ ওঠার পরই তাকে ওসি পদ থেকে সরিয়ে স্পেশাল ব্রাঞ্চে বদলি করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বারাবনি থানার ওসি থাকাকালীন দুর্নীতির অভিযোগে তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।

সকালের আলো ফোটার আগেই সাগরে গুলির শব্দ, হামলায় গুরুতর জখম বিজেপি নেতা
দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর এলাকায় বুধবার সকালে এক চাঞ্চল্যকর হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে গুরুতর জখম হয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা ত্রিলোকেশ ঢালি। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে তিনি একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে মোটরবাইকে করে যাচ্ছিলেন। তখন Sagar এলাকায় গঙ্গাসাগর ও শ্রীধাম বাসস্ট্যান্ডের মাঝামাঝি রাস্তায় তাঁর পথ আটকায় দুই দুষ্কৃতী। অভিযোগ, হঠাৎ করেই কাছ থেকে গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে Sagar Rural Hospital-এ নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন এবং তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করেন এবং কিছুক্ষণের জন্য অবরোধও হয়। ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে এবং হামলাকারীদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক। Bharatiya Janata Party-এর তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনের আগে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে All India Trinamool Congress এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, পুরনো ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালাচ্ছে।

Assam Election 2026: ১১–১৫ মার্চের মধ্যে আসাম বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবে BJP
আসামের রাজনীতিতে বড় আপডেট সামনে এসেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী Bharatiya Janata Party আগামী ১১ মার্চ থেকে ১৫ মার্চের মধ্যে আসন্ন আসাম বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করতে পারে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করা হবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য, আসামে মোট ১২৬টি বিধানসভা আসন রয়েছে। বিজেপি এই নির্বাচনে অধিকাংশ আসনে প্রার্থী দিতে পারে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে বিরোধী দল Indian National Congress ইতিমধ্যেই তাদের প্রার্থীদের প্রথম তালিকা ঘোষণা করেছে। ফলে আসামের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। Source: ANI News

জলাজমি ভরাট করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ, শক্তিপুর থানায় তলব হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী
এর আগেও ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের তরফে এ বিষয়ে একটি নোটিস পাঠানো হয়। ওই নোটিসে জমির চরিত্র পরিবর্তনের বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়। আইন অনুযায়ী, নালা বা জলাশয় ধরনের জমি ভরাট করা বা তার ব্যবহার পরিবর্তন করতে হলে প্রশাসনের অনুমতি প্রয়োজন। অনুমতি ছাড়া এ ধরনের কাজ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, Humayun Kabir দাবি করেছেন যে প্রায় ১৭-১৮ বছর ধরে তারা ওই বাড়িতে বসবাস করছেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি তৈরির সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও আপত্তি জানানো হয়নি। বর্তমানে তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল বলেই তিনি অভিযোগ করেছেন।
