Section

Business

সোনা-রুপোর দামে ধাক্কা, ইটিএফ নিয়ে দোটানায় বিনিয়োগকারীরা
LATEST
3/26/2026News13s Bureau

সোনা-রুপোর দামে ধাক্কা, ইটিএফ নিয়ে দোটানায় বিনিয়োগকারীরা

পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত ঘিরে অনিশ্চয়তার আবহে সাধারণত সোনা-রুপোর দাম বাড়ার কথা থাকলেও, এবার ছবিটা উল্টো। সাম্প্রতিক হিসেব অনুযায়ী, মার্চের শেষভাগ পর্যন্ত সোনা ও রুপোর বাজারে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গিয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে গোল্ড ও সিলভার ইটিএফ-এ বিনিয়োগকারীদের উপর। অনেক ক্ষেত্রেই বিনিয়োগমূল্য ৮% থেকে ১৩% পর্যন্ত কমে যাওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। বিনিয়োগকারীদের একাংশ ভেবেছিলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগে ‘প্রেশাস মেটাল’-এ লগ্নি করে লাভবান হবেন। কিন্তু বাজারের অপ্রত্যাশিত আচরণ তাঁদের হিসেবকে ভুল প্রমাণ করেছে। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় পর এমন বড় পতন অনেককেই চমকে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের পেছনে বড় কারণ হল শক্তিশালী ডলার এবং উচ্চ বন্ড ইল্ড। বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার কমায়নি, ফলে ডলার শক্তিশালী হয়েছে। এর ফলে সোনা-রুপোর মতো বিকল্প বিনিয়োগে চাপ পড়েছে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর বাজারে কিছুটা ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। ফলে গত কয়েক দিনে দাম কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিতও দেখা যাচ্ছে। তবে পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত—যে কোনও সময় আবার অস্থিরতা ফিরে আসতে পারে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভাবছেন—কম দামে ইটিএফ কিনে ‘অ্যাভারেজ’ কমানো উচিত, নাকি বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভালো? বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে সোনা এখনও নিরাপদ বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম। অন্যদিকে, রুপোর দাম শিল্পের চাহিদার উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা তুলনামূলক বেশি অস্থির। গত কয়েক বছরে গোল্ড ও সিলভার ইটিএফ ভালো রিটার্ন দিলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঝুঁকি ও সুযোগ—দুটোই সমানভাবে রয়েছে। তাই বিনিয়োগের আগে বাজারের গতিপ্রকৃতি বুঝে, প্রয়োজন অনুযায়ী পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাস করাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

Read Full Story
ইএমআই কেটে বাড়তি টাকা! ব্যাঙ্ক অফ বরোদায় ‘সিস্টেম ত্রুটি’ ঘিরে গ্রাহক ক্ষোভ
3/26/2026News13s Bureau

ইএমআই কেটে বাড়তি টাকা! ব্যাঙ্ক অফ বরোদায় ‘সিস্টেম ত্রুটি’ ঘিরে গ্রাহক ক্ষোভ

রাষ্ট্রায়ত্ত Bank of Baroda-তে প্রযুক্তিগত সমস্যার জেরে একাধিক গ্রাহকের ইএমআই বা মাসিক কিস্তি নিয়ে বড় ধরনের বিভ্রাটের অভিযোগ উঠেছে। হঠাৎ করেই নির্ধারিত অঙ্কের চেয়ে বেশি টাকা কেটে নেওয়ায় চাপে পড়েছেন বহু ঋণগ্রহীতা। অভিযোগ, মার্চের শুরুতে ব্যাঙ্কের সার্ভারে ত্রুটির কারণে কিছু লোন অ্যাকাউন্টে ভুল সুদের হার প্রয়োগ হয়। এর ফলে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট থেকে অতিরিক্ত টাকা কেটে নেওয়া হয়। কলকাতার এক গ্রাহকের দাবি, তাঁর হোম লোন ও টপ-আপ লোন—দুই ক্ষেত্রেই নির্ধারিত সময়ের আগেই এবং বেশি অঙ্কে কিস্তি কেটে নেওয়া হয়েছে। এমনকি কিস্তি দেওয়ার পরেও তাঁকে বকেয়ার মেল পাঠানো হয়েছে এবং রিকভারি এজেন্টদের ফোনও আসছে নিয়মিত। এই ভুলের প্রভাব পড়েছে ক্রেডিট স্কোরেও। সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের ক্ষেত্রে স্কোর ৮০০-এর বেশি থেকে নেমে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায় বলে অভিযোগ। একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছেন পুনের এক গ্রাহকও। তাঁর অভিযোগ, কিস্তি কেটে নেওয়ার পরেও তাঁকে বড় অঙ্কের বকেয়া দেখানো হয়েছে, অথচ অভিযোগ জানানোর পরেও দীর্ঘদিন কোনও সমাধান মেলেনি। গ্রাহকদের আরও অভিযোগ, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকলে সিস্টেম তাঁদের ‘ডিফল্টার’ হিসেবে চিহ্নিত করছে, যা ভবিষ্যতে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। মুখপাত্রের দাবি, যত অভিযোগ এসেছে, সেগুলি খতিয়ে দেখে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। পাশাপাশি, গ্রাহকদের আশ্বস্ত করা হয়েছে যে এই ত্রুটির কারণে তাঁদের ক্রেডিট স্কোর ক্ষতিগ্রস্ত হবে না এবং ভুল সংশোধনের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

Read Full Story