City
আইপিএস কোটেশ্বর রাও-সহ সাসপেন্ড একাধিক পুলিশ অফিসার
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূল জমানায় একের পর এক ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। শনিবার বিধানসভায় অধিবেশনের শেষ দিনে আইপিএস কোটেশ্বর রাও-সহ একাধিক পুলিশ অফিসারকে সাসপেন্ডের কথা ঘোষণা করলেন তিনি। কোন কোন মামলায় কার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হয়েছে, সেকথাও জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, '২০২১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের আমলে পুলিশকে অপব্যবহার করেছে তৎকালীন সরকার। সনাতন ধর্মের মানুষদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে।' এর পরেই একের পর এক ঘটনার উল্লেখ করে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে ক্লাস নাইনের ছাত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। তার দেহ পুকুরে ভেসে ওঠে। পঞ্চায়েত উপপ্রধানের ছেলে অভিযুক্ত ছিল। গ্রেফতার না হওয়ায় মানুষ থানার সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করে। পরে পুলিশ জোর করে দেহ সরিয়ে নিয়ে যায়। রাজবংশী যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মণ এসেছিলেন গ্রামে একটা অনুষ্ঠানে। জ্যাঠামশাইকে পুলিশ খোঁজ করতে আসে। না পেয়ে সরাসরি মৃত্যুঞ্জয়কে গুলি করে খুন করে। তাঁর স্ত্রীকে আমি চাকরি দিই। এর প্রাথমিক তদন্ত করেছি। এই ঘটনায় এএসআই মোয়াজ্জেম হোসেনকে সাসপেন্ড করা হল। এছাড়াও এফআইআর করা হয়েছে।' অপরদিকে প্রাক্তন আইপিএস পঙ্কজ দত্তর মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার পঙ্কজ দত্তকে বড়তলা থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। হেনস্থা করা হয়। সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে জিজ্ঞাসাবাদ। তাঁকে থানায় চা তো দূরের কথা, জলও খেতে দেওয়া হয়নি। আমি তৎকালীন বিধায়কদের নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলাম।সেইসময়ের আইও সাধন দাসকে সাসপেন্ড করা হল। ওই থানার আইসি ছিলেন সুবর্ণ দত্ত চৌধুরী। তাঁকেও সাসপেন্ড করা হয়।কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর নিরঞ্জনের দিন যাঁরা গিয়েছিলেন নিরঞ্জনে, তাঁদের লাঠিচার্জ করা হয়। সেই ঘটনায় ইন্সপেক্টর অমলেন্দু বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করা হল। তৃণমূল আমলে সুন্দরবনের কাকদ্বীপের সূর্যনগরে মা কালীর মূর্তি ভাঙা হয়। এলাকার মানুষ প্রতিবাদ করেন। আইপিএস কোটেশ্বর রাওয়ের নেতৃত্বে পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে লাঠিচার্জ করে। তারপর প্রিজন ভ্যানে তোলে মা কালীকে।ওই ঘটনায় আইপিএস কোটেশ্বর রাওকে সাসপেন্ড করা হল।'
নিট কাণ্ডের আন্দোলনের আবহে প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা কামনায় পুজো মহিলাদের
নিজস্ব প্রতিনিধি, দিনহাটা: নিট প্রশ্ন ফাঁসকে ঘিরে আন্দোলনের আবহে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করলেন একদল মহিলা। শুক্রবার সকালে সিতাই বিধানসভার তামাগুড়ি এলাকা থেকে তাঁরা পুজোর সামগ্রী নিয়ে মন্দিরে পৌঁছন। এদিন মদনমোহনদেবের চরণে অঞ্জলি দিয়ে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং প্রধানমন্ত্রীর মঙ্গল কামনা করেন তাঁরা। এদিন পুজো দিতে আসা যুথিকা বর্মণ বলেন, ‘কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তির পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। আমরা চাই, সেই সব চক্রান্ত ব্যর্থ হোক। দেশের উন্নয়ন ও সুশাসনের ধারা অব্যাহত থাকুক। সেই প্রার্থনাই জানাতে প্রাণের ঠাকুর মদনমোহনদেবের কাছে এসেছি।’ পাশাপাশি তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের ঐক্য ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি। তাই রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের কল্যাণ এবং প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনাতেই এই পুজো। উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলন-বিক্ষোভ চলছে। সেই আবহেই কোচবিহারের এই বিশেষ পুজো রাজনৈতিক মহলেও চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। যদিও এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগ বলেই দাবি করেছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের বক্তব্য, দেশের শান্তি ও উন্নয়নের স্বার্থেই তাঁরা ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গে চালু 'প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর', ছাদে সৌর প্যানেল বসালেই মাসে ৩০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল কেন্দ্রীয় সরকারের সোলার রুফটপ প্রকল্প 'প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা'। রাজ্যে এই কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৪ সালে কেন্দ্রীয় স্তরে প্রকল্পটির সূচনা হলেও তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্য এতদিন কেন্দ্রের সঙ্গে সমঝোতাপত্র স্বাক্ষর করেনি, ফলে ডব্লিউবিএসইডিসিএল গ্রাহকরা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। কেবল কলকাতার সিইএসসি গ্রাহকরাই এতদিন প্রকল্পের আওতায় ছিলেন। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর এবার গ্রামীণ ও জেলার লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের কাছেও প্রকল্পটি খুলে গেল। প্রকল্প অনুযায়ী, বাড়ির ছাদে সৌর প্যানেল বসালে গ্রাহকরা প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবেন। কেন্দ্রীয় ভর্তুকি হিসেবে ১ কিলোওয়াট ক্ষমতার সিস্টেমে ৩০ হাজার টাকা, ২ কিলোওয়াটে ৬০ হাজার টাকা এবং ৩ কিলোওয়াট বা তার বেশি ক্ষমতার সিস্টেমে সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। এর পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তরফে বাড়তি আর্থিক সহায়তারও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে ১০০ ইউনিট ব্যবহারকারীরা পাবেন ৩৫ হাজার টাকা, ২০০ ইউনিটের জন্য ৭০ হাজার টাকা এবং ৩০০ ইউনিটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি মিলবে। তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত পরিবারগুলির জন্য রাজ্য সরকার থেকে অতিরিক্ত ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রকল্পে আবেদনের জন্য গ্রাহকদের পিএম সূর্য ঘর পোর্টালে নিজেদের রাজ্য ও বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা নির্বাচন করে নথিভুক্ত হতে হবে। কলকাতার সিইএসসি গ্রাহক এবং রাজ্যের অন্যান্য এলাকার ডব্লিউবিএসইডিসিএল গ্রাহক, উভয়েই এখন থেকে আবেদনের যোগ্য।
রাজনৈতিক খুনের শিকার ছাত্র! সঠিক বিচারের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ পরিবার
সায়ন চক্রবর্তী, কলকাতা: রাজনৈতিক খুনের শিকার এক কলেজ ছাত্র। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাক্তন মেধাবী ছাত্র সৃঞ্জয় দে। রাজ্যে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী জনতার দরবারে উপস্থিত হন সৃঞ্জয়ে বাবা ও মা। এদিন সৃঞ্জয়ের বাবা ও মা অভিযোগ করে জানান, তাদের ছেলেকে রাজনৈতিক কারণে মেরে ফেলা হয়েছে। এই মৃত্যুর পিছনের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে তদন্তকে বিলম্ব এবং প্রভাবিত করেছেন। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে ১৩ এপ্রিল বি এস সি দ্বিতীয় বর্ষে পাঠরত সৃঞ্জয় লেকটাউনের কাছে ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকতেন। এবং মেধাবী ছাত্র সৃঞ্জয় বিজেপির হয়ে বিভিন্নি তর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করতেন। পরিবারের দাবি, একমাত্র সেই কারণেই সৃঞ্জয়কে খুন করে কলেজে তৎকালীন তৃণকমূলের জিএস সহ তার কয়েকজন সহপাঠী। ঘটনার পরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিচার চেয়ে দ্বারস্থ হয়েছিলেন সৃঞ্জয়ের বাবা ও মা। কিন্তু তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আরজি করে ঘটনার মতোই এইঘটনাকে ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি রাতারাতি সৃঞ্জয়ের দেহ দাহ করে দেওয়া হয়েছিল।তাই রাজ্যে পালাবদলের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে এসেছেন ছেলের খুনের সঠিক এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি নিয়ে।
নাবালিকাকে যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার যুবক
নিজস্ব প্রতিনিধি,বারুইপুর : ফের ১০ দিনের মাথায় খবরের শিরোনামে বারুইপুর। নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে উওেজনা ছড়িয়ে পরে বারুইপুর থানার শাসন এলাকায়। ঘটনায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত। উল্লেখ্য, গত ৫ জুলাই বারুইপুরে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয় সারা রাজ্য।ফের নতুন করে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ বারুইপুরে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকাকে খাওয়ারের লোভ দেখিয়ে বারুইপুরে নিয়ে আসে অভিযুক্ত যুবক। অভিযোগ, এলাকার এক বাসিন্দার কাছে ঘর ভাড়া চেয়েছিল অভিযুক্ত যুবক। মেয়েটিকে দেখে সন্দেহ হয় বাড়ির মালিকের। এর পরেই নাবালিকা ও যুবককে আটকে রেখে পাড়া প্রতিবেশীকে খবর দেয় বাড়ির মালিক। পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় বারুইপুর থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ এসে নাবালিকাকে উদ্ধার করে ও যুবককে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকার বাড়ি ব্যারাকপুরের দিকে। নাবালিকা পরিবারের সঙ্গে ঝগড়া করে শিয়ালদহ স্টেশনে চলে এসেছিল।সেখান থেকেই অভিযুক্ত যুবক নাবালিকাকে খাবারের লোভ দেখিয়ে বারুইপুরের শাসন এলাকায় নিয়ে যায়। ঘটনার পরে নাবালিকাকে পরিবারের হাতে তুলে দেয় বারুইপুর থানার পুলিশ এবং ধৃত যুবককে মঙ্গলবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। গোটা ঘটনার তদন্ত নেমেছে পুলিশ।
সূর্যপুরে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের মাইকিং
নিজস্ব প্রতিনিধি,বারুইপুর: সূর্যপুর এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও জনজীবন স্বাভাবিক ছন্দে ফেরাতে মাইকিং শুরু পুলিশের।বারুইপুরের সূর্যপুরের নতুন পুলিশ গ্রামীন আউটপোস্টের উদ্বোধনের পর থেকেই এলাকায় শুরু হয়েছে সচেতনতা মূলক প্রচার।সূর্যপুরে শনিবার পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর তাঁর নির্দেশে বিকেলের পর থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছন্দে ফেরাতে তৎপর হল পুলিশ। সূর্যপুরের নতুন পুলিশ আউটপোস্টের উদ্বোধনের পর থেকেই এলাকায় শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক প্রচার। আউটপোস্টের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক সামিউল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায়, রাতে এমনকি রবিবার সারাদিন মাইকিং করে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আবেদন করেছে। উল্লেখ্য, বারুইপুরে নাবালিকা নির্যাতন ও খুনের ঘটনার পরে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর থেকে পিটিয়ে খুনের মতো ঘটনা ও ঘটে। আর ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে অভিযান চলছে, এখনও অনেকেই ঘরছাড়া। সূর্যপুরের বড় সবজি বাজারে গত এক সপ্তাহ ধরে প্রভাব পড়েছে। কেনাবেচা সে ভাবে হয়নি। রাস্তায় লোক কম থাকায় মার খেয়েছে ব্যবসা। শনিবার আউটপোস্টের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ব্যবসায়ীদের দোকানপাট খুলে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার আহ্বান এর পরেই এলাকায় নেমেছে পুলিশ। দেখা গেল হ্যান্ড মাইক নিয়ে পুলিশ এলাকায় ঘুরছে আর ঘোষণা করছে, ‘সূর্যপুর এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় আছে। আপনারা অযথা কেউ ভয় পাবেন না। সকলে গ্রামে ফিরে আসুন এবং নিত্যদিনের কাজে যোগদান করুন।’ পুলিশের আশ্বাস, অপরাধীরা কেউ ছাড় পাবে না। আইনশৃঙ্খলা এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। জনজীবনও স্বাভাবিক হোক এ বার।
বাড়ি নির্মাণের সময় কাটার মেশিন ছিটকে গলায় লেগে মৃত এক
নিজস্ব প্রতিনিধি, পশ্চিম মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং থানার অন্তর্গত বিদ্যাসুন্দরী গ্রামে বাড়ি নির্মাণের কাজ করতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক যুবকের। শুক্রবার সকালের এই ঘটনায় এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সৈয়দ হামেদ আলি। তিনি নিজের বাড়ির নির্মাণকাজে ব্যস্ত ছিলেন। সেই সময় কাটার মেশিন দিয়ে লোহার রড কাটার কাজ চলছিল। অভিযোগ, আচমকাই মেশিনটির ব্লেড ছিটকে গিয়ে তাঁর গলায় সজোরে আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে সবং থানার পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে । প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, নির্মাণকাজ চলাকালীন অসাবধানতাবশত এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে কীভাবে কাটার মেশিনের ব্লেড ছিটকে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আকস্মিক এই ঘটনায় মৃতের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি থানায় সাইবার হেল্পডেস্ক, নারী নিরাপত্তায়ও বিশেষ জোর শুভেন্দু অধিকারীর
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডিজিটাল প্রতারণা রুখতে এবং নারী নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে রাজ্যের প্রতিটি থানায় সাইবার হেল্পডেস্ক চালুর ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পরিকাঠামো ও নজরদারি আরও শক্তিশালী করার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের সংখ্যা বাড়ছে। তাই সাধারণ মানুষ যাতে দ্রুত অভিযোগ জানাতে পারেন এবং দ্রুত তদন্ত শুরু করা যায়, সেই লক্ষ্যেই প্রতিটি থানায় সাইবার হেল্পডেস্ক চালু করা হচ্ছে।' এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জানান, অনলাইন আর্থিক প্রতারণা, সোশ্যাল মিডিয়া জালিয়াতি, পরিচয় চুরি-সহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত পুলিশকর্মীরা এই হেল্পডেস্কে দায়িত্ব পালন করবেন। অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও আইনি সহায়তাও দেওয়া হবে হেল্পডেস্ক থেকে। নারী নিরাপত্তার প্রসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ, অভিযোগের তাৎক্ষণিক নথিভুক্তিকরণ এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করার বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল-কলেজ, কর্মক্ষেত্র ও জনবহুল এলাকায় টহলদারি বৃদ্ধি, সিসিটিভি নজরদারি সম্প্রসারণ এবং মহিলাদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। প্রশাসনের দাবি, সাইবার অপরাধ দমনে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি থানা স্তরেই বিশেষজ্ঞ সহায়তা পৌঁছে গেলে সাধারণ মানুষ দ্রুত পরিষেবা পাবেন। একই সঙ্গে নারী নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রেও আরও দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে সমাজের বিভিন্ন মহল। সরকারের তরফে দাবি করা হয়, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েই এই পদক্ষেপগুলি কার্যকর করা হচ্ছে।
কালীঘাট থেকে দক্ষিণেশ্বর ঐতিহ্যের বন্ধনে ফিরছে ট্রাম শহরের হেরিটেজ সংরক্ষণেও বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের
বর্ণালি সাহা, কলকাতা: কলকাতার দুই মহাতীর্থ কালীঘাট মন্দির এবং দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরকে এক সুতোয় বাঁধতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। শহরের শতাব্দীপ্রাচীন ট্রাম পরিষেবাকে নতুনভাবে কাজে লাগিয়ে এই দুই ধর্মীয় কেন্দ্রের মধ্যে চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বিশেষ ‘হেরিটেজ ট্রাম’। রাজ্য প্রশাসনের আশা, এই উদ্যোগ একদিকে যেমন কলকাতার ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরবে, অন্যদিকে ধর্মীয় পর্যটনেও নতুন গতি আনবে। কলকাতার ট্রাম কেবল একটি গণপরিবহন নয়, শহরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অন্যতম প্রতীক। সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখেই বিশেষভাবে সাজানো ট্রাম চালানোর ভাবনা নেওয়া হয়েছে। ট্রামের ভিতরে থাকবে কলকাতার ইতিহাস, ট্রামের বিবর্তন, শহরের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য এবং কালীঘাট ও দক্ষিণেশ্বরের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের নানা তথ্য। জানা গিয়েছে, ট্রামে পর্যটকদের জন্য অডিও ভিজ্যুয়াল তথ্য পরিবেশনের ব্যবস্থাও রাখার পরিকল্পনা রয়েছে প্রশাসনের। প্রস্তাবিত পরিষেবা চালু হলে দেশ-বিদেশ থেকে আগত পর্যটক ও পুণ্যার্থীরা এক সফরেই কলকাতার দুই প্রধান তীর্থস্থান দর্শনের সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে শহরের ঐতিহ্যবাহী ট্রামে ভ্রমণের অভিজ্ঞতাও তাঁদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। পরিবেশবান্ধব এই গণপরিবহন ব্যবস্থাকে নতুনভাবে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন পর্যটন বিশেষজ্ঞরা। শহরের ঐতিহ্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা রাজ্যের বিজেপি সরকারের। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির মধ্যে সমন্বয়ের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। রুট, সময়সূচি, ভাড়া ও পরিষেবা চালুর দিনক্ষণ সম্পর্কে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা না হলেও, পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা কলকাতার পর্যটন মানচিত্রে এক নতুন সংযোজন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হেরিটেজ ট্রাম পরিষেবা চালু হলে শুধু ধর্মীয় পর্যটনই নয়, কলকাতার ঐতিহাসিক পরিচিতিও আরও উজ্জ্বল হবে। বহু বছর ধরে অস্তিত্বের সংকটে থাকা ট্রাম পরিষেবার প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহও বাড়বে, পাশাপাশি শহরের ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও এই উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আমলাদের রাজনৈতিক ক্যাডার বানানো চলবে না, কড়া বার্তা শুভেন্দুর
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য প্রশাসনের মেরুদণ্ড ওয়েস্ট বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস-এর অফিসারদের কড়া বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন এক অনুষ্ঠানে সরাসরি আশ্বস্ত করার পাশাপাশি সতর্কবার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, আমলাদের কোনও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হবে না। আসন্ন নির্বাচনে তাঁদের কোনোভাবেই রাজনৈতিক ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করার পক্ষপাতী নয় বর্তমান রাজ্য সরকার। প্রশাশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আমলাতন্ত্রের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া অবস্থান। বুধবার এক প্রশাসনিক বৈঠকে অফিসারদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'আপনাদের ব্যবহার করব না, নির্বাচনে রাজনৈতিক ক্যাডার বানাব না।' মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। একদিকে যেমন তিনি অফিসারদের নির্ভয়ে ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করার বার্তা দিলেন, তেমনই অপরদিকে বুঝিয়ে দিলেন যে কাজের ক্ষেত্রে কোনও রকম রাজনৈতিক আপস বরদাস্ত করবে না রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর রাজ্য রাজনীতি এবং আমলা মহলে স্বাভাবিকভাবেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
শওকত মোল্লার নিরাপত্তা প্রত্যাহার
ভাঙর: তৃণমূল জমানায় জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন ক্যানিংয়ের দাপুটে নেতা শওকত মোল্লা।ছাব্বিশের ভোটে ভাঙড়ে আইএস এফের নওশাদ সিদ্দিকির কাছে হেরে যান শওকত। এবার তাঁর সমস্ত নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হল। একসময়ে ভাঙড়ের প্রয়াত সিপিএম নেতা তথা বাম আমলে রাজ্যের মন্ত্রী আবদুর রেজ্জাক মোল্লার শিষ্য ছিলেন ক্যানিংয়ের শওকত। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল জমানা শুরুর পর তৃণমূলে যোগ দেন শওকত। তারপর থেকেই একাধিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থাকতেন তিনি। পরবর্তীতে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ছিল শওকতের। কলকাতা পুলিশ এবং জেলা পুলিশের দুটি পাইলট দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ছিল ২৪ জন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। বারুইপুর জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শওকত মোল্লা যেহেতু বিধায়ক হননি, তাঁর অন্য কোনো পদও নেই, তাই তাঁর আপাতত কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে না। এতদিন শওকত মোল্লাকে যাঁরা নিরাপত্তা দিতেন, তাঁরা সকলেই বারুইপুর পুলিশ জেলায় গিয়ে কাজে যোগদান করেছেন।
গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে সুজিত
কলকাতা: ইডির গ্রেফতারি প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। শুক্রবার হাইকোর্টের গ্রীষ্মের অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। ইডি সূত্রের দাবি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই ইডির স্ক্যানারে ছিলেন সুজিত বসু। অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলার তদন্তের স্বার্থে গত ৬ই এপ্রিল ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন থেকে শুরু করে বিধানসভা ভোট পর্বের মধ্যে একাধিকবার ইডির তরফে হাজিরার নোটিস পান সুজিত। গত ১১ই মে প্রাক্তন মন্ত্রীকে দীর্ঘ জেরার শেষে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন সুজিত বসু। জেলে থাকাকালীনই ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
পানীয় জলের দাবিতে পথ অবরোধ
উলুবেড়িয়া: চারদিন ধরে এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা। আর এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৩নং ওয়ার্ডের জগদীশপুর ঘোষপাড়ার বাসিন্দারা উলুবেড়িয়া শ্যামপুর রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। এদিনের বিক্ষোভে প্রায় আধঘণ্টা পথ অবরোধ চলার পর উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বললে পরিস্থিতি শান্ত হয়। জানা গিয়েছে, জগদীশপুর ঘোষ পাড়ায় শতাধিক পরিবার বসবাস করেন। অভিযোগ, গত চারদিন ধরে এলাকায় কোনো রকম জল সরবরাহ হচ্ছে না। ফলে গরমে চরম সমস্যার মুখে পড়েছে বাসিন্দারা। তারই প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের অভিযোগ সোমবার সকাল থেকে এলাকায় জল আসছেনা। পুরসভার পক্ষ থেকে সোমবার একটি জলের গাড়ি পাঠানো হয়েছিল। তাদের অভিযোগ পুরসভার পক্ষ থেকে পাইপ লাইন মেরামতের কাজ করলেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সমস্যা মেটেনি। এমনকি পুরসভা থেকে পানীয় জলের গাড়ি না দেওয়ায় সমস্যা আরোও বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে কাউন্সিলর তানভী নিজাম মোল্লা জানান, সমস্যার বিষয়টি জানা গেলেও ওইদিন মিস্ত্রী না পাওয়ায় পাইপ লাইন মেরামত করা যায়নি। তবে এলাকায় পানীয় জলের গাড়ি পাঠানো হয়েছিল। বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাইপ লাইন মেরামতের কাজ করলেও বৃহস্পতিবার সকালে বুঝতে পারা যায় সমস্যা মেটেনি। বৃহস্পতিবার যেহেতু সব দফতর ছুটি সেই কারনে পুরসভার জল বিভাগে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বেশী করে জলের গাড়ি এলাকায় পাঠাতে বলা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব পাইপ লাইন মেরামত করে ওই এলাকায় জল সরবরাহ সাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
