City
শওকত মোল্লার নিরাপত্তা প্রত্যাহার
ভাঙর: তৃণমূল জমানায় জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পেতেন ক্যানিংয়ের দাপুটে নেতা শওকত মোল্লা।ছাব্বিশের ভোটে ভাঙড়ে আইএস এফের নওশাদ সিদ্দিকির কাছে হেরে যান শওকত। এবার তাঁর সমস্ত নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হল। একসময়ে ভাঙড়ের প্রয়াত সিপিএম নেতা তথা বাম আমলে রাজ্যের মন্ত্রী আবদুর রেজ্জাক মোল্লার শিষ্য ছিলেন ক্যানিংয়ের শওকত। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল জমানা শুরুর পর তৃণমূলে যোগ দেন শওকত। তারপর থেকেই একাধিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে থাকতেন তিনি। পরবর্তীতে জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ছিল শওকতের। কলকাতা পুলিশ এবং জেলা পুলিশের দুটি পাইলট দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ছিল ২৪ জন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। বারুইপুর জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শওকত মোল্লা যেহেতু বিধায়ক হননি, তাঁর অন্য কোনো পদও নেই, তাই তাঁর আপাতত কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে না। এতদিন শওকত মোল্লাকে যাঁরা নিরাপত্তা দিতেন, তাঁরা সকলেই বারুইপুর পুলিশ জেলায় গিয়ে কাজে যোগদান করেছেন।
গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে সুজিত
কলকাতা: ইডির গ্রেফতারি প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু। শুক্রবার হাইকোর্টের গ্রীষ্মের অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারপতি শম্পা দত্ত পালের এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। ইডি সূত্রের দাবি, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই ইডির স্ক্যানারে ছিলেন সুজিত বসু। অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলার তদন্তের স্বার্থে গত ৬ই এপ্রিল ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন থেকে শুরু করে বিধানসভা ভোট পর্বের মধ্যে একাধিকবার ইডির তরফে হাজিরার নোটিস পান সুজিত। গত ১১ই মে প্রাক্তন মন্ত্রীকে দীর্ঘ জেরার শেষে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন সুজিত বসু। জেলে থাকাকালীনই ইডির গ্রেফতারিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।
পানীয় জলের দাবিতে পথ অবরোধ
উলুবেড়িয়া: চারদিন ধরে এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা। আর এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৩নং ওয়ার্ডের জগদীশপুর ঘোষপাড়ার বাসিন্দারা উলুবেড়িয়া শ্যামপুর রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। এদিনের বিক্ষোভে প্রায় আধঘণ্টা পথ অবরোধ চলার পর উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বললে পরিস্থিতি শান্ত হয়। জানা গিয়েছে, জগদীশপুর ঘোষ পাড়ায় শতাধিক পরিবার বসবাস করেন। অভিযোগ, গত চারদিন ধরে এলাকায় কোনো রকম জল সরবরাহ হচ্ছে না। ফলে গরমে চরম সমস্যার মুখে পড়েছে বাসিন্দারা। তারই প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের অভিযোগ সোমবার সকাল থেকে এলাকায় জল আসছেনা। পুরসভার পক্ষ থেকে সোমবার একটি জলের গাড়ি পাঠানো হয়েছিল। তাদের অভিযোগ পুরসভার পক্ষ থেকে পাইপ লাইন মেরামতের কাজ করলেও বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সমস্যা মেটেনি। এমনকি পুরসভা থেকে পানীয় জলের গাড়ি না দেওয়ায় সমস্যা আরোও বৃদ্ধি পেয়েছে। ঘটনা প্রসঙ্গে কাউন্সিলর তানভী নিজাম মোল্লা জানান, সমস্যার বিষয়টি জানা গেলেও ওইদিন মিস্ত্রী না পাওয়ায় পাইপ লাইন মেরামত করা যায়নি। তবে এলাকায় পানীয় জলের গাড়ি পাঠানো হয়েছিল। বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাইপ লাইন মেরামতের কাজ করলেও বৃহস্পতিবার সকালে বুঝতে পারা যায় সমস্যা মেটেনি। বৃহস্পতিবার যেহেতু সব দফতর ছুটি সেই কারনে পুরসভার জল বিভাগে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বেশী করে জলের গাড়ি এলাকায় পাঠাতে বলা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব পাইপ লাইন মেরামত করে ওই এলাকায় জল সরবরাহ সাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
